| কোড: 324784 | তারিখ: 2012/06/25 - 22:57 | সূত্র: রেডিও তেহরান | print |
মুবারক বিরোধী বিপ্লবে শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেবো না : মোহাম্মাদ মুরসি |
বার্তা সংস্থা আবনা : মিশরের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মাদ মুরসি বলেছেন, ২০১১ সালে যে বিপ্লবের মাধ্যমে সাবেক স্বৈরশাসক হোসনি মুবারকের পতন হয়েছে তার ধারাঅব্যাহত থাকবে। দেশটির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত গণতান্ত্রিক নির্বাচনে বিজয়ী ইখওয়ান মুসলিমিনের এ প্রার্থী জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকারও আহবান জানিয়েছেন।মোহাম্মাদ মুরসি রোববার রাতে মিশরের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেয়া ভাষণে বলেন, "আমি মিশরের প্রতিটি নাগরিকের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবো।" তিনি আরো বলেন, "মিশরের জনগণকে তাদের ঐক্য ও সংহতি জোরদার করতে হবে। একমাত্র জাতীয় ঐক্যই পারে দেশকে চলমান সংকট থেকে মুক্তি দিতে।"মোহাম্মাদ মুরসি মুবারক বিরোধী বিপ্লবের শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বলেন, শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেব না।এর আগে রোববার বিকেলে মিশরের নির্বাচন কমিশন দেশটির সর্ববৃহত রাজনৈতিক দল ইখওয়ানুল মুসলিমিনের প্রার্থী মোহাম্মাদ মুরসি'কে বিজয়ী ঘোষণা করে। তিনি শতকরা ৫১.৭০ ভাগ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। মোট ভোটের মধ্যে মুরসি পেয়েছেন এক কোটি ৩২ লাখ ভোট। তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী জেনারেল আহমাদ শফিকের চেয়ে বেশি পেয়েছেন ৯ লাখ ভোট। নির্বাচনে আহমাদ শফিক পেয়েছেন এক কোটি ২৩ লাখ ভোট। মুরসির এ বিজয়ে রাজধানী কায়রোসহ মিশরজুড়ে শুরু হয় জনতার বাঁধভাঙা উল্লাস। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ওই ফলাফল ঘোষণার মাধ্যমে মিশরের জনগণের অধীর আগ্রহের অবসান হয়।নির্বাচনে বিজয়ের মধ্যদিয়ে মুরসি মিশরের পঞ্চম প্রেসিডেন্ট হলেন। এর আগে, সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট ছিলেন সাবেক স্বৈরশাসক হোসনি মুবারক। গত বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি তিনি প্রচণ্ড গণ-আন্দোলনের মুখে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন।এবারের নির্বাচন ছিল গত ৬০ বছরের সামরিক শাসনের মধ্যে প্রকৃতপক্ষে প্রথমবারের মতো বহুদলীয় নির্বাচন। ৬০ বছরের ইতিহাসে প্রেসিডেন্ট হিসেবে মিশর শাসন করেছেন মোহাম্মাদ নাগিব, জামাল আব্দুন নাসের, আনোয়ার সাদাত এবং হোসনি মুবারক। তারা সবাই সামরিক বাহিনী থেকে অভ্যুত্থান প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেছিলেন।#
(সূত্র : রেডিও তেহরান)