মুরসী’র ক্ষমতায় আসার মাধ্যমে গাজা অবরোধের অবসান হবে
কোড: 325042 তারিখ: 2012/06/27 - 08:09সূত্র: ফারস নিউজprint

দৈনিক গার্ডিয়ান :
মুরসী’র ক্ষমতায় আসার মাধ্যমে গাজা অবরোধের অবসান হবে

ব্রিটেনের দৈনিক গার্ডিয়ানে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে মিশরের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মুরসী’র সম্মুখে আগত অভ্যন্তরিন ও আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জসমূহের পর্যালোচনা করা হয়েছে। ঐ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মুরসী’র ক্ষমতায় আসার মাধ্যমে, মোবারক সরকারের আমলে গাজার অবরোধের প্রতি যে সমর্থন মিশরের ছিল তা কল্পনাও করা সম্ভব নয়। 

 মুরসী’র ক্ষমতায় আসার মাধ্যমে গাজা অবরোধের অবসান হবে

আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা আবনার রিপোর্ট : দৈনিক গার্ডিয়ান উক্ত প্রতিবেদনে লিখেছে, মিশরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মুরসী’র বিজয়ের পর মধ্যপ্রাচ্যের সকল দেশ হতে তাকে অভিনন্দন জানানো হচ্ছে। কিন্তু ইসরাইলসহ ইরানের বিষয়ে যে কূটনৈতিক নীতি অবলম্বন করা হবে তার ভবিষ্যত অনিশ্চিত এবং এ বিষয়ে বিভিন্ন অনুভূতি পরিলক্ষিত হচ্ছে।

মিশর অভ্যন্তরে মুরসী’র জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে মিশরের সশস্ত্র বাহিনী’র উচ্চতর পরিষদ, যারা মিশরের প্রতিরক্ষা, বৈদেশিক নীতি এবং অভ্যন্তরিন নিরাপত্তার বিষয়টি নিজেদের কব্জায় ধরে রাখতে প্রত্যয়ী।

গার্ডিয়ান লিখেছে : একজন দূর্বল প্রেসিডেন্টও মিশর ও ইসরাইলের মধ্যকার চুক্তির মত স্পর্শকাতর বিষয়ে অবস্থান নিতে চাইবে। মুসলিম ব্রাদারহুডের অবস্থান হচ্ছে আন্তর্জাতিক চুক্তিসমূহের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা। যদিও এ বিষয়টি সীনা মরুভূমিতে পূনরায় সৈন্য প্রেরণের বিষয়ে সংলাপের পথে বাধা সৃষ্টি করবে না।

প্রতিবেদনের অপর অংশে উল্লিখিত হয়েছে : বর্তমান পরিস্থিতিতে গাজা অবরোধের বিষয়ে মোবারক সরকারের যুগে যেমন সমর্থন পাওয়া যেত তা কল্পনাও করা সম্ভব নয়। ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস নেতারা, মুরসী’র বিজয়কে ‘শত্রুর সাথে স্বাভাবিক সম্পর্ক স্থাপন ও নিরাপত্তা বিষয়ক সহযোগিতা শীর্ষক প্রকল্পের ব্যর্থ হওয়ার কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এ সম্ভাবনা ছাড়াও রাফাহ সীমান্ত পূর্বের চেয়ে ব্যাপক আকারে উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

গার্ডিয়ানের ঐ প্রতিবেদনে দৈনিক ইয়াদিউট আহারুনেটের বরাত দিয়ে উল্লেখ করেছে –যাতে মিশরকে অন্ধকারাচ্ছান্ন হওয়ার বিষয়ে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে- মিশরে ‘অন্ধকার’, তাওরাতে উল্লিখিত ১০টি বালা-মুসিবতের অন্যতম। অবশ্য এ বিষয় ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বিনইয়ামিন নাতানিয়াহু’র আনুষ্ঠানিক বার্তার সাথে বৈপরিত্ব রাখে। আর এ বিষয়টি, আরবী বসন্তের ( ইসলামি জাগরণ) কারণে ইসরাইলের জন্য সৃষ্ট দীর্ঘ মেয়াদী ভীতির বিষয়টির প্রতিফলন ঘটাচ্ছে।

এ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জানা গেছে যে, মিশরের সশস্ত্র বাহিনী’র উচ্চতর পরিষদের এদেশের কিছু কিছু বিষয় নিজের কব্জায় রাখার সাথে মিশরের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি সম্পৃক্ত। যুক্তরাষ্ট্র চায় যে, এ অঞ্চলের আকাশসীমায় অবাধে উড্ডয়ন এবং সুয়েজ খাল দিয়ে বিনা বাধায় যাতায়াতের বিষয়ে স্বাক্ষরিত চুক্তি বহাল থাকুক। মিশরের সশস্ত্র বাহিনী’র প্রধানরা নিঃসন্দেহে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক প্রদত্ত ১.৩ বিলিয়ন ডলার সামরিক সহযোগিতার বিষয়টিকে হুমকির সম্মুখীন করবেন না।

এ দৈনিকের সাক্ষ্য অনুযায়ী, সৌদি আরব, মোবারক সরকারের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও ইসলামপন্থী প্রার্থী মুহাম্মাদ মুরসী’র প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী আহমাদ শাফিকের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেছে। দৈনিক আল-হায়াতের কলামিস্ট আহমাদ আসেফ হানী’র ভাষ্যমতে যে ঘটনাই ঘটুক না কেন, সৌদি আরব ও মিশরের সম্পর্কের পূর্বের মত হবে না।#

 




ই-মেইল:
নাম:
মতামত:
Enter security code
erfan
ABNA World Service
Englishالعربية
Françaisاردو
Españolفارسی
Русский中文
DeutschTürkçe
Azeri (cyr) Azeri (ltin)
Melayu Indonesia
বাংলা हिन्दी
Swahili Myanmar
BosanskiABP sites
  সর্বশেষ সংবাদ